পাকিস্তানে নেমেই গভীর রাতে বৈঠক—কেন এমন তড়িঘড়ি কূটনৈতিক আলোচনা?

শুক্রবার পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডির নুর খান বিমান ঘাঁটিতে পৌঁছালে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচিকে স্বাগত জানান পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার। ছবি: সংগৃহীত আন্তর্জাতিক ডেস্ক | MyBha24 RayNex News ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির পাকিস্তান সফর ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তৈরি হয়েছে কৌতূহল ও নানা প্রশ্ন। ইসলামাবাদে পৌঁছানোর পরপরই গভীর রাতে দেশটির শীর্ষ সামরিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠকে বসেন তিনি। শুক্রবার রাতে পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডির নুর খান বিমান ঘাঁটিতে অবতরণ করেন আরাঘচি। সেখানে তাকে স্বাগত জানান পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার। এরপর মধ্যরাতের কিছুক্ষণ পরই শুরু হয় উচ্চপর্যায়ের বৈঠক। বৈঠকে অংশ নেন পাকিস্তানের প্রভাবশালী ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরসহ শীর্ষ পর্যায়ের কূটনৈতিক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তারা। প্রায় পাঁচ ঘণ্টাব্যাপী এই আলোচনা সূর্যোদয়ের সময় শেষ হয়। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম CNN জানিয়েছে, কূটনৈতিক রীতিতে সাধারণত দিনের আলোতে এ ধরনের বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও এই ঘটনাটি ছিল ব্যতিক্রম। ফলে এই রাতভর বৈঠককে ঘিরে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা এবং মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি বিবেচনায় এই বৈঠক একটি জরুরি কূটনৈতিক প্রচেষ্টার অংশ হতে পারে। এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে কোনো চুক্তির জন্য তার তাড়াহুড়ো নেই। তবে পাকিস্তানে এই দ্রুত ও গোপনীয় বৈঠক ভিন্ন বার্তা দিচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। আরও জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনারের পাকিস্তান সফর কিছুটা বিলম্বিত হয়েছে। তাদের সম্ভাব্য আগমনের পর পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, তা নিয়েও নজর রয়েছে আন্তর্জাতিক মহলের। বর্তমানে এই বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য ও ফলাফল সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানা না গেলেও এটি যে আঞ্চলিক রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে—তা নিশ্চিতভাবেই বলা যায়। সূত্র: CNN

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত বিনা বেতনে পড়ার সুযোগ পাবে জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদদের সন্তান ও আহত শিক্ষার্থীরা।

বাংলাদেশে সংকট, সিদ্ধান্ত ও বিতর্ক—জনমনে বাড়ছে প্রশ্ন।

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা: সৌদি আরব ও আমিরাতের অর্থনীতি চাপে, ইরান ইস্যুতে নতুন শঙ্কা।