এসএসসি পরীক্ষায় ফেল ৬ লাখ ৯০ হাজার ৬০৮ জন, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ

ছবি: সংগৃহীত

প্রকাশিত: ১০ আগস্ট ২০২৬

প্রতিবেদন: MyBha24 RayNex

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে, ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মোট ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন শিক্ষার্থী পাস করেছে। অন্যদিকে ফেল করেছে ৬ লাখ ৯০ হাজার ৬০৮ জন।

এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। গত বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালে গড় পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। সেই হিসাবে এবার পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ২ শতাংশ।

আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশ

সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়।

ফল প্রকাশের সময় শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনসহ শিক্ষা মন্ত্রণালয়, বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ড এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পাস ও ফেল

ফলাফল অনুযায়ী, চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন শিক্ষার্থী পাস করেছে। অন্যদিকে ৬ লাখ ৯০ হাজার ৬০৮ জন শিক্ষার্থী ফেল করেছে।

১১টি শিক্ষা বোর্ডে এবার গড় পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ।

গত বছরের তুলনায় পাসের হার কমেছে

ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২৫ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় গড় পাসের হার ছিল ৬৮.৪৫ শতাংশ।

এবার সেই হার কমে হয়েছে ৬২.২৫ শতাংশ। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে গড় পাসের হার কমেছে ৬.২ শতাংশ।

ফলে এবারের ফলাফলে গত বছরের তুলনায় পাসের হার কমেছে এবং বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেনি।

ফলাফল নিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রতিক্রিয়া

ফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ ফলাফল জানতে শুরু করেছেন। যারা কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পেয়েছেন তারা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। অন্যদিকে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে।

ফলাফল নিয়ে সংক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী পরবর্তী সময়ে খাতা পুনর্নিরীক্ষণের সুযোগ থাকবে।

MyBha24 RayNex এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল এবং শিক্ষা-সংক্রান্ত পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করবে।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত বিনা বেতনে পড়ার সুযোগ পাবে জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদদের সন্তান ও আহত শিক্ষার্থীরা।

বাংলাদেশে সংকট, সিদ্ধান্ত ও বিতর্ক—জনমনে বাড়ছে প্রশ্ন।

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা: সৌদি আরব ও আমিরাতের অর্থনীতি চাপে, ইরান ইস্যুতে নতুন শঙ্কা।