নেপাল ও চীনে বন্যায় নিহত বেড়ে ৫৮৪, নিখোঁজ প্রায় ২,৫০০

হিমবাহ ধসে বরফ ও কাদা-মাটির মিশ্রণ তৈরি হওয়া ঢলে এই বিপর্যয় নেমে আসে। ছবি: রয়টার্স

প্রকাশিত: ২৯ আগস্ট ২০২৬

প্রতিবেদন: MyBha24 RayNex

নেপাল ও চীনে ভয়াবহ বন্যায় অন্তত ৫৮৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে শুধু নেপালেই ৫৭৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। অন্যদিকে চীনের তিব্বত অঞ্চলে এখন পর্যন্ত ৫ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। দুই দেশ মিলিয়ে প্রায় ২ হাজার ৫০০ মানুষ এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।

তৃতীয় দিনেও উদ্ধার অভিযান

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ এবং চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে এসব তথ্য জানা গেছে।

ভয়াবহ এই বিপর্যয়ের তৃতীয় দিনেও উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনীর ১৪ হাজারেরও বেশি সদস্য উদ্ধারকাজে অংশ নিয়েছেন। তারা এখন পর্যন্ত প্রায় ৩ হাজার ৭৪২ জনকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছেন।

হিমবাহ ধসে ভয়াবহ বিপর্যয়

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার (USGS) তথ্য অনুযায়ী, একটি হিমবাহ ধসে বরফ, কাদা ও মাটির মিশ্রণে সৃষ্ট ঢল থেকে এই ভয়াবহ বিপর্যয়ের সূত্রপাত হয়।

২০১৫ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর এটিকে নেপালের ইতিহাসের সবচেয়ে প্রাণঘাতী বিপর্যয় হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে।

তিব্বতে নতুন সতর্কতা

তিব্বত অংশের একটি বাঁধ ভেঙে যাওয়ার পর শুক্রবার নেপাল পুলিশ নতুন করে সতর্কতা জারি করেছে। নিরাপত্তা বাহিনী, উদ্ধারকারী ও ত্রাণকর্মীদের সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকতে বলা হয়েছে। পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে ধ্বংসাবশেষ জমে তৈরি একটি কৃত্রিম হ্রদ উপচে পড়তে শুরু করলে চীন সাময়িকভাবে উদ্ধারকাজ স্থগিত করে। পরে বিপদের ঝুঁকি কমে আসায় দেশটিতে আবারও উদ্ধার তৎপরতা শুরু করা হয়েছে।

MyBha24 RayNex

সংবাদ | তথ্য | সত্যের সঙ্গে

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত বিনা বেতনে পড়ার সুযোগ পাবে জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদদের সন্তান ও আহত শিক্ষার্থীরা।

বাংলাদেশে সংকট, সিদ্ধান্ত ও বিতর্ক—জনমনে বাড়ছে প্রশ্ন।

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা: সৌদি আরব ও আমিরাতের অর্থনীতি চাপে, ইরান ইস্যুতে নতুন শঙ্কা।