ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা জারি
![]() |
| ফাইল ছবি |
প্রকাশিত: ১৫ আগস্ট ২০২৬
প্রতিবেদন: MyBha24 RayNex
ইন্দোনেশিয়ার মধ্যাঞ্চলের কাছে স্থানীয় সময় শনিবার সকালে ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। ভূমিকম্পের পর দেশটির উপকূলীয় এলাকায় স্থানীয় সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
ভূমিকম্পটির উৎপত্তি ফ্লোরেস দ্বীপের কাছে অগভীর সমুদ্রের তলদেশে হয়েছে বলে জানা গেছে।
একাধিক শক্তিশালী পরাকম্পন
মূল ভূমিকম্পের পর ৫.৯, ৫.৬ ও ৬.১ মাত্রার তিনটি পরাকম্পন অনুভূত হয়েছে।
ভূমিকম্পের পর ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় ভূ-পদার্থবিদ্যা সংস্থা বাসিন্দাদের সৈকত ও নদীর তীর থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ উঁচু স্থানে সরে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এখনো হতাহতের তথ্য পাওয়া যায়নি
প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পের শক্তিশালী কম্পনের কারণে ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত ইন্দোনেশীয় সরকার হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য জানায়নি।
প্রাথমিক হিসাবে প্রায় ৫ লাখ মানুষ অত্যন্ত শক্তিশালী বা তীব্র কম্পনের মুখে পড়েছেন বলে জানা গেছে। এ ধরনের কম্পনে দুর্বলভাবে নির্মিত স্থাপনায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে।
অন্যদিকে, তিমুর সাগরের অপর পাশে থাকা অস্ট্রেলিয়ার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশটিতে আপাতত কোনো সুনামির হুমকি নেই।
ভূমিকম্পপ্রবণ ইন্দোনেশিয়া
ইন্দোনেশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’-এর ওপর অবস্থিত। এ অঞ্চলটি বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা। এখানে প্রায়ই ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত ঘটে।
এর আগে ২০০৪ সালের ভয়াবহ ভারত মহাসাগরীয় সুনামির সূত্রপাত হয়েছিল ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের কাছে ৯.১ মাত্রার ভূমিকম্পের পর। ওই দুর্যোগে ভারত মহাসাগরের উপকূলীয় বিভিন্ন এলাকায় দুই লাখের বেশি মানুষ নিহত হন।
ইন্দোনেশিয়ায় পরবর্তী সময়েও একাধিক শক্তিশালী ভূমিকম্প ও সুনামির ঘটনা ঘটেছে।
বর্তমান ভূমিকম্পের পর পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। উপকূলীয় বাসিন্দাদের সরকারি সতর্কতা অনুসরণ করে নিরাপদ স্থানে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
MyBha24 RayNex
সংবাদ | তথ্য | সত্যের সঙ্গে

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন